নৈষ্কর্মা শব্দের অর্থ কী তা ব্যাখ্যা করো

নৈষ্কর্মা ও নিষ্কাম কর্ম
যে স্থিতি হলে মানুষের কর্মগুলি অকর্ম হয়ে যায় অর্থাৎ বন্ধনের কারণ হয় না, সেই স্থিতিকে বলা হয় ‘নৈষ্কর্য্য’। নিষ্কাম কর্ম ও নৈষ্কর্য্য সমার্থক নয়। ‘নৈষ্কর্য্য’ শব্দের সাধারণ অর্থ হল কর্মশূন্যতা। যখন মানুষ কোনো কর্ম করে না তখন তাকে বলে নিষ্কর্মা। এই নিষ্কর্মার ভাব হল নৈষ্কর্য্য। কর্মমাত্রই যদি বন্ধনের কারণ হয়, তাহলে মনে হতে পারে কোনো কর্ম না করলে বা কর্মত্যাগ করলে বুঝি মোক্ষলাভ সম্ভব হবে।
গীতায় নৈষ্কর্ম্যের অর্থ
গীতা অনুসারে নৈষ্কর্ম্য বলতে কর্মত্যাগ বা কর্মহীনতাকে বোঝায় না। কারণ যাদের দেহ বা শরীর আছে তাদের পক্ষে ক্ষণকালও কর্মত্যাগ করে থাকা অসম্ভব। বাইরের কর্ম ত্যাগ করলেও যদি মনের মধ্যে কামনা-বাসনা থাকে তাহলে সেও একপ্রকার কর্ম। তার ফলস্বরূপ মানুষ বন্ধনের অধীন হয়। কেবল কর্ম মানুষের বন্ধনের কারণ নয়। কর্মের মূলে যে কামনা-বাসনা ও অহংজ্ঞান থাকে সেটাই বন্ধনের কারণ।
উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ভাজা বীজ থেকে যেমন অঙ্কুরোদ্গম্ হয় না সেই রকম কামনা রহিত হয়ে কর্ম করলে তা ফলদানে সর্বতোরূপে অসমর্থ হয়। সুতরাং নিষ্কাম ব্যক্তি দ্বারা সংঘটিত কর্মে পুনরায় জন্ম-মৃত্যু- চক্রে আবর্তন করানোর কোনো শক্তি থাকে না।
চিত্তের কামনা-বাসনা ত্যাগ করে মানুষ যখন মনে করে প্রকৃতি কর্ম করছে, আত্মা নয় এবং আত্মা প্রকৃতির অধীন নয় তখন চিত্তের যে শান্তি ও ক্ষমতা সেটিকেই নৈষ্কর্য্য বলা হয়। কাজেই যারা মনে করেন কর্মত্যাগ করলেই মোক্ষলাভ হয় তারা ভ্রান্ত।
আরও পড়ুন – যুক্তিবিজ্ঞানের প্রকৃতি – অবরোহ এবং আরোহ
পদ, বাক্য, বচন, পদের ব্যাপ্যতা, সত্যতা ও বৈধতা প্রশ্ন উত্তর
📚 একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির স্টুডেন্টদের জন্য দারুণ সুযোগ!
আপনি কি কম সময়ে ভালোভাবে পড়াশোনা শেষ করতে চান?
পরীক্ষার আগে রিভিশন করতে সমস্যা হচ্ছে?
👉 তাহলে এখনই নিয়ে নিন আমাদের Complete PDF eBook Package
✨ এই eBook-এ যা পাচ্ছেন:
✔ সহজ ভাষায় পুরো সিলেবাস
✔ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
✔ পরীক্ষার জন্য সাজানো নোটস
✔ শর্ট টেকনিক ও সাজেশন
🎯 কার জন্য উপযোগী?
👉 একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সকল ছাত্র-ছাত্রী
👉 বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যারা
💡 মোবাইলেই পড়ুন, যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গায়!
🔥 মাত্র ২৫ টাকা প্রতিটা সাবজেক্ট