ভারতের জাতীয় সংহতি ও বিচ্ছিন্নতাবাদ প্রবন্ধ রচনা 400+ শব্দে ( Exclusive Answer)

ভারতের জাতীয় সংহতি ও বিচ্ছিন্নতাবাদ প্রবন্ধ রচনা – আজকের পর্বে ভারতের জাতীয় সংহতি ও বিচ্ছিন্নতাবাদ প্রবন্ধ রচনা আলোচনা করা হল।

ভারতের জাতীয় সংহতি ও বিচ্ছিন্নতাবাদ প্রবন্ধ রচনা

ভারতের জাতীয় সংহতি ও বিচ্ছিন্নতাবাদ

ভারতের জাতীয় সংহতি ও বিচ্ছিন্নতাবাদ

সূচনা

ভারতের ভাগ্যাকাশে এখন দুর্যোগের ঘনঘটা, নানা দিকে চলছে ভারত ভাঙ্গার চক্রান্ত, সাম্প্রদায়িকতা, প্রাদেশিকতা, রাজনৈতিক ভেদাভেদের চক্রান্ত, বিচ্ছিন্নতাবাদ মাথা চাড়া দিয়ে জেগে উঠছে। জাতীয় সংহতি আজ বিপন্ন। দেশের বুকে যখন তখন চলছে রক্তের হোলিখেলা।

ভারতের সংস্কৃতি

দ্বন্দ্ব-সংঘাতের ফলে বিভিন্ন দেশে বিচ্ছিন্নতাবাদ সক্রিয়, সৃষ্টি হচ্ছে বিবদমান জাতির। নানা ভাষা নানা মত নানা পরিধানের মধ্যেও ভারতে রয়েছে মহামিলনের ঐতিহ্য। কন্যাকুমারিকা-হিমাচল জুড়ে একটি মাত্র জাতির বিকাশ এখানে। গঙ্গা, কাবেরী, কৃষ্ণা, গোদাবরী, সিন্ধু, সর্বত্র একই প্রাণ-ধারার স্রোত প্রবাহিত। পাঞ্জাব, সিন্ধু, গুজরাট, মারাঠায় ভারতীয় সংস্কৃতির মেলবন্ধন বিরাজমান।

স্বাধীন ভারতে জাতীয়তাবোধ ও সংহতি

বিভেদের মাঝে মহান ঐক্য থাকা সত্ত্বেও ভারতের জাতীয় সংহতি বার বার বিঘ্নিত হয়েছে। ভারতে কুটকৌশলী ইংরেজ যে দ্বিজাতি-তত্ত্বের বিষময় বীজ বপন করেছিল তার বিষময় ফল স্বরূপ ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে দেশ ভাগ হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে হিন্দু-মুসলমান প্রভৃতি সমস্ত শ্রেণির মানুষের সম্মিলিত সংগ্রামের মাধ্যমে। দুর্ভাগ্যের বিষয় যে সাম্প্রদায়িকতার শিকার দেশ ভাগ করে, স্বাধীনতা লাভের পরেও যেন দেখা যায় স্বদেশ-প্রেমে ভাটা, দেশের স্বার্থের পরিবর্তে ব্যক্তি স্বার্থের বাড়াবাড়ি। সাম্প্রদায়িকতা, প্রাদেশিকতা, রাজনীতির-ভেদবৃদ্ধি সম্প্রীতির বন্ধনকে আলগা করার চেষ্টা কখনও কখনও প্রকটরূপে প্রকাশ পাচ্ছে। তাই প্রয়োজন সকলের মধ্যে শুভ জাতীয়তাবোধের উন্মেষ, নিরক্ষরতা-কুসংস্কার থেকে জাতিকে মুক্ত করা।

স্বাক্ষরতা বলতে কি বুঝায়

স্বাক্ষরতা বলতে সমস্ত শ্রেণির মানুষকে শিক্ষার আলোকে উদ্ভাসিত করতে হবে। পুরুষ ও নারীকে যেমন সুশিক্ষা গ্রহণ করতে হবে তেমনি কুসংস্কারের বাতাবরণ ত্যাগ করতে হবে। নারীরা অনেক সময় নানা ভাবে অত্যাচারিত হন। দেশের স্বাধীনতা বিপ্লবে পুরুষ ও নারী উভয়ে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। সমগ্র জাতি মানে পুরুষ ও নারীর মধ্যে জাতীয়তাবোধ সম্বন্ধে সচেতনাবোধ জাগ্রত করতে হবে। তা না করতে পারলে জাতীয়তাবোধের প্লাবন মন্থর হবে।

কুসংস্কার ও জাতীয় সংহতি

কুসংস্কার এক মারাত্মক ব্যাধি যা জাতীয় সংহতি সৃষ্টিতে বাধা সৃষ্টি করে। ভারতে জাতের নামে বজ্জাতি করে মানুষে মানুষে সৃষ্টি করা হয় বিভেদ। উর্বর মস্তিষ্ক প্রসূত জাতের দোহাই দিয়ে এক শ্রেণির মানুষ অন্য শ্রেণির মানুষকে দূরে সরিয়ে রাখে আজও যা ভারতে সংহতি সৃষ্টির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। শিক্ষার প্রসারে সামাজিক চেতনাবোধ সম্বন্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে ও কুসংস্কারের অবগুন্ঠন সরে যাবে।

উপসংহার

জাতীয় সংহতির অভাব হলে বিচ্ছিন্নতাবাদ জেগে ওঠার সুযোগ পায়। স্বদেশ প্রেম, মানুষে মানুষে সম্প্রীতির বন্ধন, পুরুষ ও নারী উভয়কে অজ্ঞানতার অন্ধকার থেকে জ্ঞানের আলোকে আনয়ন, সামাজিক কর্তব্যবোধ সম্বন্ধে সচেতনতা সৃষ্টি প্রভৃতি জাতীয় সংহতি সৃষ্টিতে সাহায্য করে। দেশপ্রেমের উন্মেষ ঘটাতে জাতীয় সংহতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে। মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম গভীর হলে বিচ্ছিন্নতাবাদ মাথ তুলে দাঁড়াতে পারবে না। জাতীয়তাবোধ ও সংহতির প্রধান জিয়ন- কাঠি শিক্ষার প্রসার।

স্বেচ্ছায় রক্তদান একটি মহৎ কাজ প্রবন্ধ রচনা

স্বেচ্ছায় রক্তদান একটি মহৎ কাজ প্রবন্ধ রচনা – আজকের পর্বে স্বেচ্ছায় রক্তদান একটি মহৎ কাজ প্রবন্ধ রচনা আলোচনা করা হল।

স্বেচ্ছায় রক্তদান একটি মহৎ কাজ প্রবন্ধ রচনা

স্বেচ্ছায় রক্তদান একটি মহৎ কাজ

স্বেচ্ছায় রক্তদান একটি মহৎ কাজ

ভূমিকা

পৃথিবীতে জীবজগতের সৃষ্টি, বিশেষ এক প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে। মানুষ তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ জীব। নিজেদের প্রয়োজনে তারা হয়েছে সমাজবদ্ধ। জন্ম হলে মৃত্যুই মানুষের জীবনের অনিবার্য পরিণতি। জন্মের পরে সুন্দর পৃথিবীর রূপ রস গন্ধের সাথে তার গড়ে ওঠে অন্তরের গভীর সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতায় জীবন হয়ে ওঠে সুখময়। প্রত্যেকে আমরা পরের তরে এই মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয় মানুষ।নিজের ত্যাগের মাধ্যমে অন্যের মুখে হাসি ফুটিয়ে তোলা মানবিকতার বিশেষ এক নির্দশন। তাই যুগ যুগ ধরে মহাপুরুষ থেকে শুরু করে সাহিত্যে-ইতিহাসের মাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে মানবিকতার কথা। মুমূর্ষু রোগীকে রক্তদান হল মানবসেবার এক সুমহান উদাহরণ।

রক্ত বলতে কি বোঝায়

রক্ত হল এক প্রকার যোগ কলা। হৃৎপিন্ড মানুষের একটি পাম্প যন্ত্র বিশেষ, ছান্দিক গতিতে স্পন্দিত হয়ে সারা দেহে রক্ত সঞ্চ ালন করে। শরীরের দূষিত রক্ত বলতে অধিক পরিমাণে কার্বন-ডাই-অক্সাইড মিশ্রিত রক্তকে বোঝায়। হৃৎপিন্ডের সংকোচন বা সিস্টোল ও সম্প্রসারণ বা ডায়াস্টোলের মাধ্যমে এবং ফুসফুসের সহযোগিতায় দূষিত রক্ত বিশুদ্ধ হয়ে সারা দেহে ছড়িয়ে যাচ্ছে ধমনী ও তার শাখা প্রশাখার ভেতর দিয়ে।

একজন স্বাভাবিক ওজন বিশিষ্ট ৫ফুট উচ্চতা, ওজন ৭০ কেজি) প্রাপ্ত বয়স্কের শরীরের রক্তের পরিমাণ হল ৫০০০ সিসি বা পাঁচ লিটার। রক্তে হিমোগ্লোবিন নামে লৌহঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় লাল বর্ণ দেখায়, লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন থাকে। হিম (Heam) লৌহ রজ্ঞক এবং গ্লোবিন হল প্রোটিন জাতীয়রঞ্জক পদার্থ। রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে গেলে অ্যানিমিয়া হয়। রক্তে তিন প্রকার রক্তকণিকা-লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেতরক্তকণিকা, অনুচক্রিকা (platelates) থাকে।

রক্তের বিভাগ

আমাদের দেহে যখন কোনো রোগজীবানু, ভাইরাস ইত্যাদি প্রবেশ করে তখন তাদের প্রতিহত করার জন্য লিম্ফোসাইট বা শ্বেত কণিকা থেকে এক প্রকার পদার্থ যা প্রোটিন জাতীয় উৎপন্ন হয় তাকে বলা হয় অ্যান্টিবডি। অ্যান্টিবডি যেসব প্রোটিন কণাকে ধবংস করে অর্থাৎ যে প্রোটিনের প্রবেশের ফলে দেহে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি হয় তাদের অ্যান্টিজেন বলে। অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে দেহে প্রবিষ্ট রোগজীবাণু বা অ্যান্টিজেনকে প্রতিহত করার ক্ষমতাকে ইমিউনিটি বলে। যেমন ইমিউনিটি বা আক্রমণ ক্ষমতার জন্য একবার জল বসন্ত হলে সারাজীবন ধরে দেহে জল বসন্তের প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে। টাইফয়েডরোগ একবার হলে আক্রমন ক্ষমতা থাকে সাত-আটবছর পর্যন্ত। বিশিষ্ট ভিয়েনার চিকিৎসক ল্যান্ড স্টেইনার রক্তের অ্যাপ্লুটিনোজেন বা অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্নুটিনিন বা অ্যান্টিবডির উপস্থিতি অনুযায়ী রক্তকে A,B,AB,O এই চারটি ভাগ বা গ্রুপে ভাগ করেছেন।

রক্তদান

যখন কোনো কারণে দেহ রক্তশূন্য হয়ে পড়ে এবং রক্তের অভাবে হৃৎপিন্ড ঠিক মত কাজ করতে পারে না তখন অন্যের দেহ থেকে রক্ত দিয়ে সেই অসুস্থ ব্যক্তিকে সুস্থ হতে সাহায্য করা হয়। তবে এক দেহ থেকে অন্য দেহে রক্ত স্নানান্তরিত করতে হলে উভয় মানুষের রক্ত সমগোষ্ঠীর বা সম বিভাগ সম্পন্ন হতে হবে। তবে AB বিভাগের রক্তে কোন অ্যামুটিনিন না থাকায় AB বিভাগকে সার্বিক গ্রহিতা বলে।

আবার ০ বিভাগের রক্তে কোনো অ্যাগ্লুটিনোজেন থাকে না বলে বিভাগ রক্ত সব বিভাগকে রক্ত দান করতে পারে, তাই ০ বিভাগকে সার্বিক দাতা বলা হয়। সার্বিক গ্রহিতা বলতে বুঝায় সব বিভাগের কাছ থেকে রক্ত গ্রহন করতে পারে। বিকল্প রক্ত আবিষ্কার হয়নি। একজন মানুষ তার রক্ত দান করলে সেই রক্তে কোন মুমূর্ষ মানুষের প্রাণ রক্ষা সম্ভব হয়। এছাড়া বিভিন্ন কারণে যেকোন মানুষের শরীরের রক্তের পরিমাণ কমে যেতে পারে। তখন অন্যের রক্তে তার শরীরের অভাব পূরণ হয়।

রক্ত সংরক্ষণ

রক্ত দান করা একটি মহান কাজ। তাই সমস্ত শ্রেণীর ও সমস্ত ধর্মের মানুষ রক্তদান মঞ্চে অংশগ্রহণ করেন। মানুষের শরীরের রক্তের সেল বা কণা চিরস্থায়ী নয়। নির্দিষ্ট সময়ের (তিন সপ্তাহ) পরে আগের রক্তের সেল মরে যায় ও সেই স্থান পূরণ করে নতুন সেল জন্ম নিয়ে। একজনের শরীর থেকে ২৫০ সিসি রক্ত নিলে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না এবং সাত দিনের মধ্যে নতুন রক্ত তৈরী হয়ে সেই অভাব পূরণ করে।

রক্ত সংরক্ষণেরও পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছে। প্রত্যেক ২৫০সি.সি রক্তে ৫০ সি,সি অ্যাসিড সাইট্রিক ডেস্কাট্রজ মেশান হয় যাতে রক্ত না জমাট বাঁধে। এই প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেন বৈজ্ঞানিক হাউসটেন ১৯১৪সালে। ব্ল‍্যাড ব্যাঙ্ক প্রথম স্থাপিত হয় আমেরিকার শিকাগো শহরে ১৯৩৭ সালে। রক্তের প্রত্যেক বোতলে রক্তের গ্রুপ ও ব্যবহারের সময়সীমা লেখা থাকে এবং রক্ত ব্যবহার-যোগ্যতা নির্ভর করে তাপমাত্রা ও তার পারিপার্শ্বিক ব্যবস্থার ওপর। রক্ত বিশুদ্ধ থাকে ৪ ডিগ্রি থেকে ৬ডিগ্রি সেস্টিগ্রেড তাপমাত্রায় তিন মাস পর্যন্ত ফ্রিজে।

আমাদের দেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান

কলকাতায় রক্তদান যজ্ঞ শুরু হয় ১৯২৫ সাল থেকে। এখন সরকারী, বেসরকারী, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রক্তদানের উপকারিতার কথা শুধু প্রচার করছে না, রক্তদান শিবিরের মাধ্যমে স্বেচ্ছায় রক্তদানের ও ব্যবস্থা করছে। সংগৃহীত রক্তে অনেক মানুষ মৃত্যুর হাত থেকে ফিরে আসছে বেঁচে। শুধু পুরুষেরা নয়, নারীরা, তরুণ-তরুণীরা উৎসাহের সাথে রক্তদান ও রক্তাদান শিবিরের আয়োজন করেছেন।

আমাদের দেশে মানুষ এখন ও ধর্মান্ধ এবং জাত নামক কুসংস্কার থেকে মুক্ত হতে পারেনি। কিন্তু যখন রোগীর শরীরে রক্তের ব্যবস্থা করা হয় তখন সেই রক্ত কোন্ জাতের বা কোনধর্মের মানুষের তা রোগী বা ডাক্তার জানেন না। ফলে রক্তদানের ও রোগীর রক্ত গ্রহণের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির মেল বন্ধন সৃষ্টি হচ্ছে। আমাদের দেশে স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস বা বিশেষ ছুটির দিনগুলিতে অত্যন্ত উৎসাহের সাথে রক্ত দানের আয়োজন করা হয় এবং সেই রক্ত ব্ল্যাডব্যাঙ্কে রাখা হয় ও রোগীর রক্তের ঘাটতি মেটাতে ব্যবহার করা হয়।

উপসংহার

রক্তদান মানুষের মহৎ ও সৎবৃত্তির এক জ্বলন্ত উদাহরণ। কিন্তু আমাদের দেশের মতো গরিব দেশে অনেক সময় দেখা যায় মানুষ নিরুপায় হয়ে বাঁচার তাগিদেয় শরীরের রক্ত বার বার বিক্রি করতে বাধ্য হয় এবং এর ফলে পরবর্তী সময়ে নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। মানবসেবার অঙ্গ ও স্বেচ্ছায় রক্তদান, নিয়ম মেনে রক্তদান করলে শরীরের ক্ষতি হয় না। বরঞ্চ মনে রাখতে হবে যে রক্তদান করে সে মহৎ এক কাজ করে এবং সামান্য রক্তদানে একটি অমূল্য প্রাণ বাঁচায়।

আরও পড়ুন – ভারতে সন্ত্রাসবাদের সমস্যা প্রবন্ধ রচনা

আরও পড়ুন প্রয়োজনে
আদরিণী গল্পের MCQ প্রশ্ন উত্তর | Adorini Golper MCQ | HS 3rd Semester Click here
ভাব সম্মিলন কবিতার প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 11 দ্বিতীয় সেমিস্টার Click here
নানা রঙের দিন নাটকের প্রশ্ন উত্তর (অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়) | ক্লাস 12 চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা ( Exclusive Answer) Click here
প্রদত্ত অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে প্রবন্ধ রচনা | ক্লাস 12 চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা Click here

1 thought on “ভারতের জাতীয় সংহতি ও বিচ্ছিন্নতাবাদ প্রবন্ধ রচনা 400+ শব্দে ( Exclusive Answer)”

Leave a Comment