দিগ্বিজয়ের রূপকথা কবিতার MCQ ক্লাস 12 তৃতীয় সেমিস্টার বাংলা
১। কবি নবনীতা দেবসেনের ‘নবনীতা’ নামকরণ কে করেন?
(ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(খ) শঙ্খ ঘোষ
(গ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
(ঘ) কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তরঃ (ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২। ‘দিগ্বিজয়ের রূপকথা’ কার লেখা?
(ক) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
(খ) শঙ্খ ঘোষ
(গ) নবনীতা দেবসেন
(ঘ) তিলোত্তমা মজুমদার
উত্তরঃ (গ) নবনীতা দেবসেন
৩। ‘দিগ্বিজয়ের রূপকথা’ কবিতাটি কবে রচিত হয়?
(ক) ১৯৭৩ সালে
(খ) ১৯৭৪ সালে
(গ) ১৯৭৬ সালে
(ঘ) ১৯৭৮ সালে
উত্তরঃ (গ) ১৯৭৬ সালে
৪। ‘দিগ্বিজয়ের রূপকথা’ কোন্ কাব্যের অন্তর্গত?
(ক) ‘সারা পৃথিবীর কবিতা’
(খ) ‘স্বাগত দেবদূত’
(গ) ‘তুমি মনস্থির করো’
(ঘ) ‘রক্তে আমি রাজপুত্র’
উত্তরঃ (ঘ) ‘রক্তে আমি রাজপুত্র’
৫। নবনীতা দেবসেনের ‘দিগ্বিজয়ের রূপকথা’ কবিতাটি পরবর্তীতে কোন্ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়?
(ক) ‘সারা পৃথিবীর কবিতা’
(খ) ‘নবনীতা দেবসেনের শ্রেষ্ঠ কবিতা’
(গ) ‘প্রথম প্রত্যয়’
(ঘ) ‘স্বাগত দেবদূত’
উত্তরঃ (খ) ‘নবনীতা দেবসেনের শ্রেষ্ঠ কবিতা’
৬। নবনীতা দেবসেনের প্রথম কবিতা সংকলন গ্রন্থের নাম-
(ক) ‘প্রথম প্রত্যয়’
(খ) ‘স্বজন সকালে’
(গ) ‘সারা পৃথিবীর কবিতা’
(ঘ) ‘তুমি মনস্থির করো’
উত্তরঃ (ক) ‘প্রথম প্রত্যয়’
৭। ‘প্রথম প্রত্যয়’ সংকলন গ্রন্থটি কবে প্রকাশিত হয়?
(ক) ১৯৬১ সালে
(খ) ১৯৫৯ সালে
(গ) ১৯৬০ সালে
(ঘ) ১৯৫৮ সালে
উত্তরঃ (খ) ১৯৫৯ সালে
৮। নবনীতা দেবসেনের প্রথম উপন্যাসটি হল-
(ক) ‘অন্য দ্বীপ’
(খ) ‘স্বভূমি’
(গ) ‘শনি-রবি’
(ঘ) ‘আমি, অনুপম’
উত্তরঃ (ঘ) ‘আমি, অনুপম’
৯। ‘আমি, অনুপম’ উপন্যাসটিতে কোন্ আন্দোলনের কথা বর্ণিত হয়েছে?
(ক) বাংলার নকশাল আন্দোলন
(খ) বাংলার তেভাগা আন্দোলন
(গ) বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন
(ঘ) বাংলার স্বদেশি আন্দোলন
উত্তরঃ (ক) বাংলার নকশাল আন্দোলন
১০। নবনীতা দেবসেনের একটি ভ্রমণ বিষয়ক গ্রন্থ-
(ক) ‘ইচ্ছামতী’
(খ) ‘ট্রাকবাহনে ম্যাকমাহনে’
(গ) ‘মসিও হুলোর হলিডে’
(ঘ) ‘মন কেমনের গল্প’
উত্তরঃ (খ) ‘ট্রাকবাহনে ম্যাকমাহনে’
১১। নিম্নের কোনটি নবনীতা দেবসেনের প্রথম গল্পগ্রন্থ?
(ক) ‘সীতা থেকে শরু’
(খ) ‘ভালোবাসা কারে কয়’
(গ) ‘মসিও হুলোর হলিডে’
(ঘ) ‘খগেনবাবুর পৃথিবী’।
উত্তরঃ (গ) ‘মসিও হুলোর হলিডে’
১২। কোন্ গ্রন্থের জন্য নবনীতা দেবসেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান?
(ক) ‘হেমন্তলোক’
(খ) ‘দেশান্তর’
(গ) ‘নব-নীতা’
(ঘ) ‘আমি, অনুপম’।
উত্তরঃ (গ) ‘নব-নীতা’
১৩। কোন্ বছর নবনীতা দেবসেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারে সম্মানিত হন?
(ক) ১৯৯৯ সালে
(খ) ১৯৯৮ সালে
(গ) ২০০০ সালে
(ঘ) ২০০২ সালে।
উত্তরঃ (ক) ১৯৯৯ সালে
১৪। নবনীতা দেবসেন কত সালে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হন?
(ক) ১৯৯৯ সালে
(খ) ২০০০ সালে
(গ) ২০০১ সালে
(ঘ) ২০১১ সালে।
উত্তরঃ (খ) ২০০০ সালে
১৫। ‘দিগ্বিজয়ের রূপকথা’ কী ধরনের কবিতা?
(ক) গীতিকবিতা
(খ) গদ্য কবিতা
(গ) শোক কবিতা
(ঘ) চতুর্দশপদী কবিতা।
উত্তরঃ (খ) গদ্য কবিতা
১৬। ‘দিগ্বিজয়ের রূপকথা’ কবিতাটি কোন্ ছন্দে রচিত?
(ক) মিশ্রবৃত্ত ছন্দে
(খ) ছড়ার ছন্দে
(গ) কলাবৃত্ত ছন্দে
(ঘ) অমিত্রাক্ষর ছন্দে।
উত্তরঃ (ক) মিশ্রবৃত্ত ছন্দে
১৭। “রক্তে আমি রাজপুত্র”- এখানে প্রকৃত অর্থে ‘আমি’ কে?
(ক) নারীজাগরণে প্রত্যয়ী স্বয়ং কবি
(খ) কোনো এক ঐতিহাসিক রাজা
(গ) কোনো এক পৌরাণিক রাজা
(ঘ) উপরোক্ত কোনোটিই নয়।
উত্তরঃ (ক) নারীজাগরণে প্রত্যয়ী স্বয়ং কবি
১৮। কবিতায় ব্যবহৃত ‘রাজপুত্র’ শব্দটির প্রতিশব্দ কোনটি?
(ক) রাজকুমার
(খ) রাজর্ষি
(গ) সতীর্থ
(ঘ) উপরোক্ত কোনোটিই নয়।
উত্তরঃ (ক) রাজকুমার
১৯। “রক্তে আমি রাজপুত্র।”- এখানে ‘রক্তে’ অর্থে –
(ক) জাতিতে
(খ) পারিবারিক সূত্রে
(গ) চারিত্রিক দৃঢ়তায়
(ঘ) বংশপরম্পরায়।
উত্তরঃ (গ) চারিত্রিক দৃঢ়তায়
২০। “রক্তে আমি রাজপুত্র।”- রাজপুত্রের জননীকে নিম্নোক্ত কোন্ বিশেষণে বিশেষিত করা হয়েছে?
(ক) দুঃখিনী
(খ) মায়াবী
(গ) সুখী
(ঘ) ধার্মিক।
উত্তরঃ (ক) দুঃখিনী
২১। “হলেনই বা দুঃখিনী জননী”- জননী দুঃখিনী, কারণ –
(ক) জননী অনাহারী
(খ) জননীর সাংসারিক সুখ-শান্তি নেই
(গ) জননী স্বামীর নিকট উপেক্ষিতা দুয়োরানি
(ঘ) জননী সন্তানের নিকট অবহেলিতা।
উত্তরঃ (গ) জননী স্বামীর নিকট উপেক্ষিতা দুয়োরানি
২২। কবি-কথক দিগ্বিজয়ে যাবেন- এক্ষেত্রে তাঁর চরিত্রের কোন্ দিক প্রকাশিত হয়েছে?
(ক) সে রাজার আদেশ পালনে ব্রতী
(খ) সে বীরধর্ম পালনে ব্রতী
(গ) সম্পদের প্রতি তার অপরিসীম লোভ
(ঘ) সে প্রিয়ের আজ্ঞাপালনে ব্রতী।
উত্তরঃ (খ) সে বীরধর্ম পালনে ব্রতী
২৩। আলোচ্য কবিতায় ব্যবহৃত ‘দিগ্বিজয়’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে হবে –
(ক) দিক্ + বিজয়
(খ) দিগ্ + বিজয়
(গ) দিগ্নি + জয়
(ঘ) দিগ্বি + জয়।
উত্তরঃ (ক) দিক্ + বিজয়
২৪। কবিতায় উক্ত যে ‘আমি’, সে কোন্ রানির সন্তান?
(ক) পাটরানি
(খ) সুয়োরানি
(গ) দুয়োরানি
(ঘ) ছোটোরানি।
উত্তরঃ (গ) দুয়োরানি
২৫। “দিগ্বিজয়ে যেতে হবে” – কাকে যেতে হবে?
(ক) কবি-কথককে
(খ) দুয়োরানিকে
(গ) দুয়োরানির স্বামীকে
(ঘ) উপরোক্ত সবকটিই।
উত্তরঃ (ক) কবি-কথককে
২৬। দিগ্বিজয়- শব্দের অর্থ কী?
(ক) রাজ্যজয়
(খ) প্রতিপক্ষকে জয় করা
(গ) চতুর্দিক বা নানা দেশ জয় করা
(ঘ) উপরোক্ত কোনোটিই নয়।
উত্তরঃ (গ) চতুর্দিক বা নানা দেশ জয় করা
২৭। দিগ্বিজয়ের জন্য ছিল –
(ক) উড়ন্ত অশ্ব
(খ) সাদা অশ্ব
(গ) জাদু-অশ্ব
(ঘ) যজ্ঞাশ্ব।
উত্তরঃ (গ) জাদু-অশ্ব
২৮। “দুয়োরানী দিলেন সাজিয়ে।” – দুয়োরানি কাকে সাজিয়ে দিলেন?
(ক) রাজাকে
(খ) দিগ্বিজয়ে যাত্রাকারীকে
(গ) কোটালপুত্রকে
(ঘ) সুয়োরানির পুত্রকে।
উত্তরঃ (খ) দিগ্বিজয়ে যাত্রাকারীকে
২৯। “কবচকুন্ডল নেই,” – কবিতায় ‘কবচকুণ্ডল’ কোন্ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
(ক) মন্ত্রপূত মাদুলি ও কানের অলংকার অর্থে
(খ) দেবদত্ত রক্ষাতাবিজ ও অলংকারবিশেষ অর্থে
(গ) অভেদ্য বর্ম ও বলয়াকার কর্ণবেষ্টনী (রক্ষাকবচ) অর্থে
(ঘ) দেবতার বীজমন্ত্র ও কর্ণবন্ধনী অর্থে।
উত্তরঃ (গ) অভেদ্য বর্ম ও বলয়াকার কর্ণবেষ্টনী (রক্ষাকবচ) অর্থে
৩০। “কবচকুন্ডল নেই” – কারণ –
(ক) জননী দুয়োরানির, কথককে কবচকুণ্ডল দেওয়ার সামর্থ্য নেই
(খ) রাজপুত্র, জননীর নিকট উপেক্ষিত
(গ) রাজপুত্রের কবচকুণ্ডল ধারণের যোগ্যতা নেই
(ঘ) রাজপুত্র কবচকুণ্ডল ধারণে অসম্মত হন।
উত্তরঃ (ক) জননী দুয়োরানির, কথককে কবচকুণ্ডল দেওয়ার সামর্থ্য নেই
৩১। ‘তৃণীর’ শব্দের অর্থ –
(ক) বাণ বা শর রাখার আধার
(খ) তলোয়ার রাখার খাপ
(গ) অসিপাত্র
(ঘ) শিরস্ত্রাণ।
উত্তরঃ (ক) বাণ বা শর রাখার আধার
৩২। ‘শিরস্ত্রাণ’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করো-
(ক) শিরস্ + ত্রাণ
(খ) শিরঃ + ত্রাণ
(গ) শির + স্ত্রাণ
(ঘ) শিরঃ + স্ত্রাণ।
উত্তরঃ (খ) শিরঃ + ত্রাণ
৩৩। ‘শিরস্ত্রাণ’ শব্দের অর্থ কি?
(ক) মস্তকবর্ম
(খ) টায়রা
(গ) টিকলি
(ঘ) কেশতৈল।
উত্তরঃ (ক) মস্তকবর্ম
৩৪। “কিছুই ছিল না।” – কী ছিল না?
(ক) কবচকুণ্ডল, ধনুক তৃণীর, শিরস্ত্রাণ
(খ) কবচকুণ্ডল
(গ) ধনুক তৃণীর
(ঘ) জাদু-অশ্ব, পক্ষীরাজ, সপ্তডিঙা।
উত্তরঃ (ক) কবচকুণ্ডল, ধনুক তৃণীর, শিরস্ত্রাণ
৩৫। “কিছুই ছিল না।” – শুধু ছিল –
(ক) পক্ষীরাজ
(খ) মন্ত্রপূত তরবারি
(গ) মরুপথে যাওয়ার উট
(ঘ) আশীর্বাদি দুটি সরঞ্জাম।
উত্তরঃ (ঘ) আশীর্বাদি দুটি সরঞ্জাম
৩৬। “শুধু আশীর্বাদী দুটি সরঞ্জাম”-‘সরঞ্জাম’ দুটি হল –
(ক) অশ্ব ও অসি
(খ) উট ও জাদু-অশ্ব
(গ) জাদু-অশ্ব ও মন্ত্রপূত অসি
(ঘ) জাদু-অশ্ব ও অসি।
উত্তরঃ (গ) জাদু-অশ্ব ও মন্ত্রপূত অসি
৩৭। “শুধু আশীর্বাদী দুটি সরঞ্জাম” – সরঞ্জাম দুটি আশীর্বাদি, কারণ –
(ক) সরঞ্জাম দুটির মধ্যে স্বয়ং রাজার শুভকামনা নিহিত ছিল
(খ) সরঞ্জাম দুটির মধ্যে রাজপুরোহিতের শুভবাক্য নিহিত ছিল
(গ) দেবতাকে প্রণামকালে কথক সরঞ্জাম দুটি প্রাপ্ত হয়েছিলেন
(ঘ) সরঞ্জাম দুটি স্বয়ং দুঃখিনী জননী কর্তৃক প্রদত্ত ছিল।
উত্তরঃ (ঘ) সরঞ্জাম দুটি স্বয়ং দুঃখিনী জননী কর্তৃক প্রদত্ত ছিল
৩৮। “এক: এই জাদু-অশ্ব” – ‘জাদু-অশ্ব’ বলার কারণ –
(ক) অশ্বটি জাদুঘরে রাখা ছিল
(খ) অশ্বটি নানান পরিস্থিতিতে ভিন্ন ভিন্ন রূপ ধারণ করতে পারত
(গ) অশ্বটির নাম ছিল জাদু
(ঘ) অশ্বটি সকলকে মোহমায়ায় বেঁধে ফেলত।
উত্তরঃ (খ) অশ্বটি নানান পরিস্থিতিতে ভিন্ন ভিন্ন রূপ ধারণ করতে পারত
৩৯। জাদু-অশ্বটি উটের রূপ ধারণ করে যেখানে বিচরণ করত সেই স্থানটি কবিতায় যে নামে প্রযুক্ত হয়েছে, তা হল –
(ক) মরুপথ
(খ) মরুপ্রান্তর
(গ) মরুভূমি
(ঘ) মরূদ্যান।
উত্তরঃ (ক) মরুপথ
৪০। “মরুপথে সেই হয় উট”-‘সে’ কে?
(ক) পক্ষীরাজ
(খ) সপ্তডিঙা
(গ) জাদু-অশ্ব
(ঘ) পুষ্পক।
উত্তরঃ (গ) জাদু-অশ্ব
৪১। “আকাশে পুষ্পক আর সপ্তডিঙ্গা সাজে সিন্ধুজলে” – পুষ্পক কী?
(ক) অশ্ব
(খ) ধনুক
(গ) রথ
(ঘ) দ্বীপ।
উত্তরঃ (গ) রথ
৪২। পক্ষীরাজরূপে জাদু-অশ্ব কোথায় ঘুরে-ফেরে?
(ক) তেপান্তরে
(খ) অরণ্যে
(গ) মরুপথে
(ঘ) আকাশপথে।
উত্তরঃ (ক) তেপান্তরে
৪৩। ‘পুষ্পক’ কোথায় পাড়ি দেয়?
(ক) দূর দেশে
(খ) অজানা দ্বীপে
(গ) তেপান্তরে
(ঘ) আকাশে।
উত্তরঃ (ঘ) আকাশে
৪৪। “…সপ্তডিঙ্গা সাজে সিন্ধুজলে”- ‘ডিঙ্গা’ শব্দটির চলিত রূপটি হল –
(ক) ডোঙ্গী
(খ) ডিঙ্গি
(গ) ডোঙ্গা
(ঘ) ডিঙা বা ডিঙি।
উত্তরঃ (ঘ) ডিঙা বা ডিঙি
৪৫। সমুদ্র, সাগর ইত্যাদি শব্দের প্রতিশব্দরূপে কোন্ শব্দটি কবিতায় প্রযুক্ত হয়েছে?
(ক) সিন্ধুর
(খ) সিন্ধি
(গ) সিন্ধু
(ঘ) সিন্ধ।
উত্তরঃ (গ) সিন্ধু
৪৬। ‘জনশূন্য বিস্তীর্ণ প্রান্তর’-এর যে প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দটি কবিতায় ব্যবহৃত হয়েছে, তা হল –
(ক) তেপান্তর
(খ) ত্রিপ্রান্তর
(গ) তৃপান্তর
(ঘ) তেপ্রান্তর।
উত্তরঃ (ক) তেপান্তর
৪৭। কবিতানুসারে ‘পক্ষীরাজ’-এর রূপ ধারণ করে –
(ক) পুষ্পক
(খ) জাদু-অশ্ব
(গ) উট
(ঘ) সপ্তডিঙা।
উত্তরঃ (খ) জাদু-অশ্ব
৪৮। কবিতায় জাদু-অশ্ব একটি রূপকমাত্র। এক্ষেত্রে কবিতানুসারে ‘জাদু-অশ্ব’ কার রূপক?
(ক) প্রত্যাশা
(খ) আশীর্বাদ
(গ) ভালোবাসা
(ঘ) বিশ্বাস।
উত্তরঃ (ঘ) বিশ্বাস।
৪৯। পক্ষীরাজ আসলে কী?
(ক) কাল্পনিক রথ
(খ) কাল্পনিক যুদ্ধযান
(গ) কাল্পনিক অশ্ব
(ঘ) কাল্পনিক পাখি।
উত্তরঃ (গ) কাল্পনিক অশ্ব
৫০। কবিতায় উক্ত ‘জাদু-অশ্ব’-এর নাম রাখা হয়েছে –
(ক) বিশ্বাস
(খ) ভালোবাসা
(গ) প্রত্যাশা
(ঘ) ভরসা।
উত্তরঃ (ক) বিশ্বাস
৫১। “এই হৃদয়ের খাপে ভরা”- ‘হৃদয়ের খাপে’ কী ভরা আছে?
(ক) মন্ত্রপূত কবচ
(খ) মন্ত্রপূত অসি
(গ) মন্ত্রপূত ইস্পাতখণ্ড
(ঘ) মন্ত্রপূত কবচকুণ্ডল।
উত্তরঃ (খ) মন্ত্রপূত অসি
৫২। “এই হৃদয়ের খাপে ভরা” – হৃদয়ের খাপে বলতে বোঝানো হয়েছে
(ক) আত্মপ্রত্যয়ী বীরত্বে পূর্ণ হৃদয়ের গভীরতা
(খ) কামনাবাসনাময় হৃদয়ের গভীরতা
(গ) ভীরু হৃদয়ের গভীরতা
(ঘ) কপট, স্বার্থান্বেষী হৃদয়ের গভীরতা।
উত্তরঃ (ক) আত্মপ্রত্যয়ী বীরত্বে পূর্ণ হৃদয়ের গভীরতা
৫৩। ‘পূতঃ’ শব্দের অর্থ হল –
(ক) পবিত্র
(খ) পূজ্য
(গ) পূজিত
(ঘ) মনোবাঞ্ছা।
উত্তরঃ (ক) পবিত্র
৫৪। কবিতায় উক্ত ‘মন্ত্রপূতঃ অসি’-র নাম রাখা হয়েছে –
(ক) ভালোবাসা
(খ) অভিলাষ
(গ) মনোবাসনা
(ঘ) অর্চিত।
উত্তরঃ (ক) ভালোবাসা
৫৫। কবিতানুসারে ‘অসি’ কোথায় ভরা আছে?
(ক) অস্ত্র রাখার খাপে
(খ) তরবারির খাপে
(গ) হৃদয়ের খাপে
(ঘ) তৃণীরের খাপে।
উত্তরঃ (গ) হৃদয়ের খাপে
৫৬। কবিতানুসারে ‘শাণিত ইস্পাত খন্ড’ বলতে কীসের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে?
(ক) মন্ত্রপূত তীর
(খ) মন্ত্রপূত অসি
(গ) মন্ত্রপূত ধনুক
(ঘ) মন্ত্রপূত কবচকুণ্ডল।
উত্তরঃ (খ) মন্ত্রপূত অসি
৫৭। “শাণিত ইস্পাত খন্ড।”- ‘শাণিত’ শব্দের অর্থ-
(ক) অতি ধারালো বা তীক্ষ্ণ
(খ) রক্তাক্ত
(গ) বৃহৎ
(ঘ) প্রচণ্ড বা প্রখর।
উত্তরঃ (ক) অতি ধারালো বা তীক্ষ্ণ
৫৮। শাণিত ইস্পাত খন্ড’ ছাড়াও মন্ত্রপূত অসির আর কোন্ বৈশিষ্ট্যসূচক শব্দ কবিতায় উল্লিখিত আছে?
(ক) অভঙ্গ
(খ) অটুট
(গ) ক্ষণভঙ্গুর
(ঘ) অভঙ্গুর।
উত্তরঃ (ঘ) অভঙ্গুর
৫৯। “নিশ্চিত পৌঁছুবো…”-কে পৌঁছোবে?
(ক) দুয়োরানি
(খ) সুয়োরানি
(গ) কবি-কথক
(ঘ) পাটরানি।
উত্তরঃ (গ) কবি-কথক
৬০। “নিশ্চিত পৌঁছুবো…”- কোথায় পৌঁছোনোর কথা বলা হয়েছে?
(ক) লাক্ষাদ্বীপে
(খ) সুমাত্রা দ্বীপে
(গ) মালয়দ্বীপে
(ঘ) খজুরের দ্বীপে।
উত্তরঃ (ঘ) খজুরের দ্বীপে
৬১। কবি-কথক কীভাবে খর্জুরের দ্বীপে পৌঁছোবেন?
(ক) দৈহিক শক্তির সাহায্যে
(খ) মানসিক জোরের দ্বারা
(গ) অস্ত্রের আস্ফালনে
(ঘ) বিশ্বাস আর ভালোবাসার জোরে।
উত্তরঃ (ঘ) বিশ্বাস আর ভালোবাসার জোরে
৬২। কবিতায় ব্যবহৃত ‘খর্জুর’ শব্দটির ভাষাতাত্ত্বিক বিবর্তনটি হল –
(ক) খজুর (সং) > খর্জুর (প্রা) > খাজুর বা খেজুর (বাং)
(খ) খর্জুর (সং) > খজুর (প্রা) > খাজুর বা খেজুর (বাং)
(গ) খর্জুর (সং) > খর্জুর (প্রা) > খাজুর বা খেজুর (বাং)
(ঘ) খর্জুর (সং) > খর্জুর (প্রা) > খাজুর বা খেজুর (বাং)
উত্তরঃ (গ) খর্জুর (সং) > খর্জুর (প্রা) > খাজুর বা খেজুর (বাং)
৬৩। ‘দিগ্বিজয়ের রূপকথা’ কবিতা অনুযায়ী মানুষের দিগ্বিজয়ী হতে প্রয়োজন-
(ক) অর্থ ও লোকবল
(খ) জাদুমন্ত্র
(গ) ভাগ্য ও বাহুবল
(ঘ) বিশ্বাস ও ভালোবাসা।
উত্তরঃ (ঘ) বিশ্বাস ও ভালোবাসা
আরও পড়ুন : অন্ধকার লেখাগুছ MCQ প্রশ্ন উত্তর