বাংলা সাময়িকপত্রের ইতিহাসে ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকার পরিচয় দাও
অথবা,
‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকাটির সম্পাদকের নাম ও প্রকাশকাল উল্লেখ করে সাময়িকপত্রের যুগে পত্রিকাটির অবদান লেখো

প্রকাশকাল ও সম্পাদনা: ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকাটি ১৮৭২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
পত্রিকার পরিচয় বা ভূমিকা: বাংলা সাময়িকপত্র তথা সাহিত্যের ক্ষেত্রে এক দিকচিহ্নস্বরূপ ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকাটি নানাবিধ দিক থেকে উল্লেখযোগ্য। যথা-
- ‘বঙ্গদর্শন’-এ বিভিন্ন সমাজসমস্যামূলক রচনা প্রকাশিত হত।
- এ ছাড়াও পত্রিকায় লেখালেখির মাধ্যমে চেষ্টা করা হত কৃষকদের সচেতন করে তুলতে। নীলকরদের অত্যাচারের প্রতিবাদ, বিধবাবিবাহের প্রচলন এবং নারীশিক্ষার প্রসারে পত্রিকাটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয়।
- সমাজ, রাজনীতি, শিক্ষা, জ্ঞান, বিজ্ঞান, দর্শন ইত্যাদি বিবিধ বিষয়ক রচনার ক্ষেত্রে বাঙালি মননের পরিচয় ফুটে ওঠে।
- এই পত্রিকায় বঙ্কিমচন্দ্রের বহু কালজয়ী রচনা প্রকাশিত হয়েছে। যথা- ‘বিষবৃক্ষ’, ‘চন্দ্রশেখর’, ‘রজনী’, ‘কৃয়কান্তের উইল’, ‘রাজসিংহ’, ‘আনন্দমঠ’, ‘দেবী চৌধুরাণী’ প্রভৃতি উপন্যাস। এ ছাড়া ‘মুচিরাম গুড়ের জীবনচরিত’, ‘কমলাকান্তের দপ্তর’ এবং ‘লোকরহস্য’ প্রভৃতি প্রবন্ধগ্রন্থ।
- এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে এক বিশেষ লেখকগোষ্ঠীর উদ্ভব ঘটে। এঁরা হলেন-চন্দ্রনাথ বসু, রাজকৃয় মুখোপাধ্যায়, রামদাস সেন, চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায় প্রমুখ।
প্রথমে বঙ্কিমচন্দ্রই এই পত্রিকাটি সম্পাদনা (১৮৭২-১৮৭৬) করতেন। এরপর সম্পাদনা করেন (১৮৭৭-১৮৮১) তাঁর ভ্রাতা সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। পরবর্তীকালে ১৯০২ থেকে ১৯০৭ সাল পর্যন্ত ‘নবপর্যায় বঙ্গদর্শন’ পত্রিকাটির সম্পাদনা করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
আরও পড়ুন – বই কেনা প্রবন্ধের প্রশ্ন উত্তর
📚 একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির স্টুডেন্টদের জন্য দারুণ সুযোগ!
আপনি কি কম সময়ে ভালোভাবে পড়াশোনা শেষ করতে চান?
পরীক্ষার আগে রিভিশন করতে সমস্যা হচ্ছে?
👉 তাহলে এখনই নিয়ে নিন আমাদের Complete PDF eBook Package
✨ এই eBook-এ যা পাচ্ছেন:
✔ সহজ ভাষায় পুরো সিলেবাস
✔ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
✔ পরীক্ষার জন্য সাজানো নোটস
✔ শর্ট টেকনিক ও সাজেশন
🎯 কার জন্য উপযোগী?
👉 একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সকল ছাত্র-ছাত্রী
👉 বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যারা
💡 মোবাইলেই পড়ুন, যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গায়!
🔥 মাত্র ২৫ টাকা প্রতিটা সাবজেক্ট